বাজারে সয়াবিন তেলের মতই অস্থিরতা বিরাজ করছে প্রায় সকল ভোগ্যপণ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাজারে সয়াবিন তেলের মতই অস্থিরতা বিরাজ করছে প্রায় সকল ভোগ্যপণ্যে। রমজানের আগেই বেড়েছে এসব ভোগ্যপণ্যের দাম। তবে ঈদ পরবর্তী এ সময়ে নগরীর বাজারগুলো এখনো ক্রেতা শূন্য থাকলেও বাজারে আরেক দফা বেড়েছে মুরগি, মাছসহ কিছু কিছু সবজরি দাম।

বাজারে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদে শহরে সবজি, মাছ ও মুরগির সরবরাহ কম ছিল তাই বেড়েছে মুরগি, মাছসহ কিছু সবজির দাম। চলতি সপ্তাহে এমন দামেই বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ ঈদ পরবর্তী সময়ে সরবরাহ বাড়তে একটু সময় লাগবে।

গতকাল বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদ পরবর্তী সময়ে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০-২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। শেষ রোজায় ১৭০ টাকা বিক্রি হওয়া প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি গতকাল পর্যন্ত বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকায়। লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২৯০-৩০০ টাকায় এবং সোনালী প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ টাকায়। এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রেতা কম থাকলেও বেড়েছে মাছের চাহিদা। তবে সরবহার বাড়েনি। তাই মাছের দাম চড়া। বাজারে দেশীয় চাষের তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৪০-২০০ টাকায়, রুই ২০০-৩৮০ টাকায় ও কাতল ২০০-৪০০ টাকায় ও পাঙ্গাস ১৩০-১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সামুদ্রিক মাছের মধ্যে রূপচাঁদা আকার ভেদে সাড়ে ৩শ’ থেকে ৭শ’ টাকা, আইড় মাছ ২৮০-৩২০ টাকায়, সামুদ্রিক বাইলা মাছ ২৬০ থেকে ৩০০ টাকায়, ছুরি মাছ ২৮০ টাকায়, পোয়া মাছ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়, লইট্যা আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১৫০ টাকায়, বাটা ২৩০-২৬০ টাকায়।

এছাড়া গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-৯০০ টাকায় এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০-৯৫০ টাকায়।

এদিকে সবজির মধ্যে বাজারে দাম বেড়েছে কাঁচামরিচ, বেগুন, আলুসহ কাকরোল, করলা, বরবটি। কাঁচামরিচ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। কাকরোল ৮০-৯০ টাকায়, বেগুন ৫০-৬০ টাকায়। আলু ২৩-২৫ টাকায়, টমেটো ৫০-৬০ টাকায়, মিষ্টিকুমড়ো ৪০-৫০ টাকায়, লতি ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৪০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেয়াজ প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকায়। এছাড়া চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাকের আঠি। শাক ১৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *