নবযাত্রা ডেস্ক
ইফতারে ক্লান্তি দূর করতে চাহিদা বেড়েছে লেবু ও তরমুজের। সাথে চাহিদা বেড়েছে ধনেপাতা, বেগুন ও শসার দাম। কিন্তু নগরীর পাইকারি বাজার রিয়াজউদ্দিন বাজারে এসব পণ্যের দাম কমলেও খুচরা বাজারে এখনো চড়া দামে বিক্রি হতে দেখা যায় এ পণ্যগুলো। একইভাবে রমজানের অজুহাতে বেড়েছে মাংস, মুরগি ও মাছের দাম।
আজ নগরীর চকবাজার ও কর্ণফুলী কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা যায় এসব পণ্যের দাম দুই বাজারে দুই রকম। চকবাজারের চেয়ে কর্ণফুলী বাজারে এসব পণ্যের দাম কেজিতে প্রায় ৩-৬ টাকা বেশি দেখা যায়।
কর্ণফুলীতে লেবু মাঝারি আকারের পিজ বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। একই লেবু চকবাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকায়। এদিকে রিয়াজউদ্দিন বাজারে পাইকারিতে মাঝারি আকারের লেবু জোড়া বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়।
গিয়াস উদ্দিন নামের লেবু ব্যবসায়ী বলেন, লেবু ক্রয় করার সময় বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাই আমাদেরকে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়েছে। এছাড়া এখনও লেবুর মৌসুম শুরু হয়নি। বৃষ্টি শুরু হলে লেবুর দাম কমে যাবে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের আড়তদার নুর ইসলাম বলেন, এখন বেগুন শসা, ধনেপাতা ও গাজরের দাম কমেছে। এখানে বেগুন, গাজর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়। ধনেপাতা কেজি ৫০ টাকায়, কাঁচামরিচ ২৫ টাকায়। একইভাবে কমেছে অন্যান্য সবজির দামও।
এদিকে কর্ণফুলী বাজারে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়, কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকায়, গাজর ৫০ টাকায়, শশা আকারভেদে ৫০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, টমেটো ২৫-৩০ টাকায়। কাকরোল কেজি ১৪০ টাকায়, ঢেঁডস ৮০ টাকায়, বরবটি ৮০ টাকায়, আকারে ছোট দেশী আলু ৫০ ও আকারে বড় আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। একই সবজিগুলো চকবাজারে প্রতি কেজিতে ৩-৫ টাকা কমে বিক্রি হতে দেখা যায়।
এদিকে বাজরে গরুর মাংস কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকায়। ব্রয়লার প্রতি কেজি ১৬৫-১৭০ টাকায়, সোনালী ৩৩০ টাকায় এবং লেয়ার ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৮০-৩০০ টাকায়, কাতল ২২০-৪০০ টাকায়, তেলাফিয়া ১৬০-২২০ টাকায়, পাঙ্গাস ১৫০ টাকায়। এছাড়া চড়া রয়েছে সাগরের সব মাছ।
এদিকে বাজারে মাঝারি আকারের একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকায়।