নিজস্ব প্রতিবেদক
অনেকের কাছেই খুব একটা পরিচিত নয়। তবে এখন বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পুষ্টিগুলে ভরা লেটুস পাতা। কাঁচা ও ভেজে সালাদ হিসেবে খাওয়া যায় এই লেটুস পাতা। এতে রয়েছে মানব শরীরের জন্য অনেক পুষ্টিগুণ। নিয়মিত লেটুসপাতা খেলে হৃৎপিÐ ও ফুসফুস ভালো থাকে। ঠান্ডাজনিত অসুখ যেমন হাঁচি, কাশি, কফ ও হাঁপানি দূর করে লেটুসপাতা। ভিটামিন কে এর একটি অন্যতম উৎস হল এই লেটুসপাতা। ভিটামিন কে হাড়ের মেটাবলিজম বাড়ায়। লেটুসপাতা শরীরকে রক্ষা করে দ্রæত হাড় ক্ষয় হওয়া থেকে। লেটুসপাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন। যা কোলেস্টেরলের অক্সিডেশনকে বাধা দেয় এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। আর এর ফলে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃৎপিÐ ভালো থাকে। ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে লেটুসপাতার গুরুত্ব অনেক বেশি। লেটুসপাতায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন বিদ্যমান রয়েছে। এছাড়া এটি রক্তের হিমোগেøাবিন বাড়াতেও সাহায্য করে। এনমিয়া বা রক্তশূন্য রোগীদের জন্য একটি উত্তম খাবার হল লেটুসপাতা। হাত-পা ফুলে যাওয়া, কিডনির পাথর, কিডনির কার্যহীনতা, মূত্রথলির ইনফেকশন ও কিডনির ব্যথায় বেশ উপকারী লেটুসপাতার পুষ্টি উপাদান। নিয়মিত লেটুসপাতা খেলে ত্বকে বলিরেখা পড়ে না ফলে বার্ধক্য আসে দেরিতে। এ পাতায় বিদ্যমান সোডিয়াম ভিটামিন-বি ওয়ান, বি টু, থ্রি শরীরের যে কোনো অঙ্গে পানি জমে যাওয়া রোধ করে। শরীরের কোথাও কেটে গেলে বা ছিঁড়ে গেলে এ পাতা থেঁতলে ব্যথার স্থানে লাগালে ব্যথা ভালো হয়ে যায়। লেটুসপাতায় ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া খুশকি সমস্যার সমাধানে কাজ করে লেটুসপাতা। শ্যাম্পুতে লেটুসপাতা গুঁড়া ব্যবহার করা হয়। রোদে পোড়া ভাব দূর করতে লেটুপসাতা থেঁতলে ত্বকে দিলে ত্বকের উপকার পাওয়া যায়।