নবযাত্রা প্রতিবেদক
বর্তমান মৌসুমটা চলছে ফলের। এসময় অনেক ফলের মধ্যে সবার কাছে বেশ সুপরিচিত একটি ফল হলো জামরুল। আমাদের দেশে প্রায় সব জায়গায় পাওয়া যায় এই ফলটি। জামরুল সাধারণত দুই রকমের হয়ে থাকে। সাদা এবং লাল। ফলটি পুষ্টিহীনতায় দূর করে।
জামরুলে ভিটামিন সি ও ফ্লাবিনযড়ে থাকায় ক্যানসার ও হৃদরোগের ক্ষেত্রে কোষের ধ্বংসকে রোধ করে।
জামরুলে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট দেহের দূষিত পদার্থ দূর করে। ভিটামিন সি দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষম শ্বেতকণিকা তৈরি করে। এটি ঠাণ্ডাজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে। জামরুলে থাকা নিয়াসিন কোলেস্টেরল তৈরিকে নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়াসিন রক্তে ভালো এইচডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং খারাপ ট্রাইগিসারাইড কমায়। এতে সোডিয়াম না থাকা এবং এইচডিএলের মাত্রা বেশি থাকায় এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত জামরুল খেলে পাকস্থলীর হজমশক্তি বাড়ে এবং শর্করা, চর্বি ও প্রোটিন জাতীয় খাবার সহজে হজম হয় এবং শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ হয়। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার খাদ্য সংবহনতন্ত্রের সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পটাশিয়াম থাকায় জামরুল পেশিকে শক্তিশালী করে এবং পেশির ব্যথা দূর করে। জামরুলে এক ধরনের হেপাটোপ্রটেক্টিভ উপাদান রয়েছে। যা অত্যন্ত সফলভাবে লিভার কোষ ধ্বংস থেকে রক্ষা করে। জামরুলে এন্টিহাইপারগিসেমিক উপাদান থাকে, যা রক্তের গ্লুকোকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে ও মস্তিষ্কের সুরক্ষায় কাজ করে।