ই-কমার্স দিবসে ৪ জন অনলাইন উদ্যোক্তার মতামত

নবযাত্রা ডেস্ক

করোনাকালে অনলাইন মাধ্যমে ব্যবসা করে এখন সফল উদ্যোক্তা। নিজে কিছু করার ইচ্ছে থেকে কলেজের শিক্ষকতা পেশা ও ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়ে শুরু করে অনলাইন ব্যবসা। আবার পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পিছে না ছুটেই অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে হয়ে উঠেছেন উদ্যোক্তা। আমাদের আজকের আয়োজনে ফেসবুক ভিত্তিক অনলাইন গ্রুপ ও পেইজ’এর মাধ্যমে ব্যবসা করে সফল হওয়া এমন চারজন তরুণ উদ্যোক্তার সাথে আলোচনা হয়। তাদের মধ্যে আছেন ওমেন এন্ড ই-কর্মাস ট্রাস্ট (উই)’এর মডারেটর ও আলিজা বিডি’র উদ্যোক্তা সানজিদা আফরোজ, চিটাগং ই-কর্মাস ফ্যামিলি (সেফ)’এর এডমিন সাগর দে, মেমসাহেব গ্রুপের উদ্যোক্তা ফারিহা ইসলাম সুমাইয়া ও টয়া মার্ট’এর উদ্যোক্তা তাসলিমা আক্তার টয়া। তাদের সাথে আলোচনা করে জানা যায় বর্তমানে অনলাইন ব্যবসার বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা সম্পকে। আলোচনার অংশ বিশেষ নিচে তুলে ধরা হলো।

নবযাত্রা : সানজিদা আফরোজ, সাগর দে, ফারিহা ইসলাম সুমাইয়া ও তাসলিমা আক্তার টয়া আপনারা কিভাবে অনলাইন ব্যবসার সাথে জড়িতো হলেন?

ওমেন এন্ড ই-কর্মাস ট্রাস্ট (উই) এর মডারেটর সানজিদা আফরোজ: আগে ব্যাংকে জব করতাম। কিন্তু চাকরি আর সংসার এক সাথে করতে পারছিলাম না। তাই চাকরি ছেড়ে দিই। আবার ইচ্ছে ছিল নিজে কিছু করবো। তাই ২০১০ সালে প্রথম অনলাইন ব্যবসার সাথে জড়িত হই। তবে উই’এর সাথে জড়িত হই ২০১৯ সালে। কারণ আমি দেশীয় পণ্য নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলাম। সেই লক্ষে আমার এগিয়ে চলার শুরু।

মেমসাহেব গ্রুপের উদ্যোক্তা ফারিহা ইসলাম সুমাইয়া: এখন তো চাকরির বাজার খুবই কঠিন। তাই পড়ালেখার পাশাপাশিই ২০১৭ সাল থেকে অনলাইনে মেয়েদের বিভিন্ন হাতে তৈরি পণ্য নিয়ে কাজ করছি। পাশাপাশি যারা হাতে তৈরি বিভিন্ন পণ্য নিয়ে কাজ করছে তাদের উৎসাহ দিতে আমি ফেসবুক গ্রুপ পরিচালনা করছি।

ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপ টয়া মার্ট’এর উদ্যোক্তা তাসলিমা আক্তার টয়া: এইচএসসিতে পড়াশোনা করা অবস্থায় বাবা মারা যায়। তখন থেকেই নিজের পড়াশোনার খরচ নিজে চালাতেই কিছু একটা করার চেস্টা করি। তাই ২০১৫ সাল থেকেই আমি অনলাইনে ব্যবসার উদ্যোগ নিই। তবে ২০১৯ সাল থেকে পুরোপুরিভাবে ব্যবসা শুরু করি। এরমধ্যে করোনা চলে আসে। আমাদের অনলাইনে কেনাকাটার চাহিদা বাড়তে থাকে। এভাবেই ব্যবসার শুরু।

চিটাগং ই-কর্মাস ফ্যামিলি (সেফ)’এর এডমিন সাগর দে: আমার ইচ্ছে ছিল চট্টগ্রামে যারা অনলাইন ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের এক ছাতার নিয়ে আনা। কারণ চট্টগ্রামে অনলাইন ব্যবসায়ীদের নিয়ে ভালো কোনো প্লাটফর্ম ছিল না। তাই প্রথমে চট্টগ্রামের অনলাইন ব্যবসায়ীদের এক প্লাটফর্মে এনে ট্রেনিং করে তাদের ব্যবসার জন্য ভালো একটি সুযোগ তৈরি করার লক্ষে সেফের যাত্রা শুরু হয়েছে। আমি একটি কলেজের শিক্ষক ছিলাম। পরে ভালোভাবে ব্যবসায় উদ্দেশ্যে চাকরি ছেড়ে দিই।

নবযাত্রা: সাম্প্রতিক অনলাইন ব্যবসার সাথে জড়িত বড় বড় অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে অনলাইন ব্যবসার প্রতি মানুষের বিশ্বাস উঠে গেছে। এই যে ভাবর্মর্তির সংকট, এটা কি আপনাদের ফেস করতে হয়?

সানজিদা আফরোজ: কিছু বড় বড় প্রতিষ্ঠান মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ঠিকই, তাই বলে সব প্রতিষ্ঠান নয়। তবে এখন কাস্টমাররা অনেক সচেতন হয়ে গেছে। তারা এখন ভালো মন্দ বুঝে। তারা এখন রিভিউ দেখে বিশ্বস্ত ফেজ বা গ্রুপ থেকে কেনাকাটা করছে। করোনার কারণে অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছে। এক্ষেত্রে অনেক ক্রেতা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। প্রতারণার জন্য শুধু কোনো প্রতিষ্ঠানই নয়, অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতারা নিজেরাও দায়ি থাকে। তাই তাদের সচেতন হতে হবে এবং সরকারকে অনলাইন ব্যবসায় প্রতারণা ঠেকাতে আরো কিছু নীতিমালা তৈরি করে দিলে ভালো হয়। কারণ আমরা যারা সত্যিকারের ব্যবসা করি তারাও বদনামের হাত থেকে রেহাই পেতে চাই। আবার পণ্যের সস্তা দাম দেখে না কেনা উচিৎ। কারণ এতে ক্রেতারা ঠকে।

সাগর দে: কিছু খারাপের মধ্যেও কিছু ভালো অবশ্যই আছে। সাম্প্রতিক সময়ে বড় কিছু অনলাইন প্রতিষ্ঠান থেকে মানুষ ঠকেছে তার জন্য কিন্তু ক্রেতারা নিজেরাও দাই। তারা অতি লোভে কিনতে গিয়ে ধরা খেয়েছে। বর্তমানে আমরা যারা অনলাইনে ব্যবসা করি তারা সবসময় বলি আপনারা কেনার আগে রিভিউ চেক করেন। এখন প্রতিটি ফেসবুক পেইজে একটি রিভিউ অপশন আছে। ভালো একটি সুযোগ হচ্ছে এ রিভিয় অফশনে গিয়ে চেক করে কেনাকাটা করলে কেউ কোনোদিন ঠকবে না। এখন কোনো অনলাইন ব্যবসায়ী চাইলে ফেইক রিভিউ দিতে পারবে না।

ফারিহা ইসলাম সুমাইয়া: প্রতারণা ঠেকাতে এখন কেস অন ডেলিভারিকে প্রাধান্য দিতে হবে। আবার অনেক সময় কেশ অন ডেলিভারির ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাকে ঠকতে হয়। এক্ষেত্রে পণ্যের জন্য কিছু টাকা অগ্রীম বিকাশ করে বাকি টাকা পণ্য পাওয়ার পর দিতে পারবে। এমন পদ্ধতীগুলো মেনে চলা দরকার।

নবযাত্রা: পণ্য ডেলিভারির ক্ষেত্রে আপনাদের কি কি সমস্যায় পড়তে হয়?

ফারিহা ইসলাম সুমাইয়া: যেহেতু আমি হাতে তৈরি পণ্য নিয়ে কাজ করি। তাই অর্ডার পেলেই কাজ শুরু করি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, কেউ অর্ডার করেছে, আমরাও তৈরি করেছি। যখন পণ্য ডেলিভারি করবো তখন দেখায় তারা পণ্য নিবেনা। নানা রকম অজুহাত দেখাতে থাকে। অথবা কিছু টাকা অগ্রীন দিতে বললে তারা দিতে চায় না। এমন কিছু সমস্যায় প্রায় পড়তে হয়।

তাসলিমা আক্তার টয়া: অনেক কাস্টমার এমন পাওয়া যায় যারা অর্ডার করে পণ্য তার কাছে যাওয়ার পর সে নিবেনা। পণ্য ফেরত পাঠিয়ে দেয়। প্রথম দিকে এমন কিছু সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। পরে এক্ষেত্রে আমার ক্রেতার সমস্যা জেনে সেটি সমাধান করে দিই। করোনাকালে অনলাইন ব্যবসার যে প্রসার হয়েছে আমার ক্ষেত্রে এটি এখনো আছে। মূলত আমি করোনাকালের মধ্যেই আমার ব্যবসার সাফল্যতা পাই।

নবযাত্রা: অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে ভ্যাট- ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন কাগজপত্র নিয়ে কাজের ক্ষেত্রে ঝামেলা পোহাতে হয়, এমন অভিযোগ বহু পুরনো। এরকম আর কি কি সমস্যা আপনাদের পোহাতে হয়?

সানজিদা আফরোজ: ২০২০ সালে যখন করোনা শুরু হয় তখন অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেসময় মানুষের সহযোগিতায় ব্যবসার বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে অনলাইন প্লাটফর্ম। চাল, ডাল থেকে শুরু করে কাপড়, রান্না করা খাবার সব কিছুই অনলাইনের মাধ্যমে বেচাকেনা হয়েছে। মূলত করোনাকলেই অনলাইন ব্যবসার সুবিধা বেড়ে গেছে। এসময় অনেক অনলাইন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। কিন্তু এ দুই বছর ব্যবসা করতে গিয়ে তাদের বিভিন্ন রকম ডোকোমেন্টের প্রয়োজন হচ্ছে। ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে নতুন করে টাকার প্রয়োজন হচ্ছে। এক্ষেত্রে টাকার জন্য তাদের বিভিন্ন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নিতে গেলে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তারা বলছে আমাদের ট্রেড লাইসেন্স করা হয়েছে কি না, ট্রেড লাইসেন্সয়ের সময় দুই বছর হয়েছে কি না। কিন্তু একটা ট্রেড লাইসেন্সে করতে হোল্ডিং ট্যাক্সের সাম্প্রতিক কপি লাগে। অথচ আমরা যারা ভাড়া বাসায় থাকি তাদের বাড়িওয়া এসব দিতে চায় না। আবার সরকারিভাবে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে উদ্যোক্তাদের প্রনোদনা দেয়া হবে বলেছে। এগুলো আমরা এসব কাগজপত্রের অভাবে পাই না। আমরা অনলাইনে যারা ব্যবসা করছি তাদের ক্ষেত্রে এসব কাগজপত্র দেয়া আসলেই সম্ভব না। ব্যাংকে লোন নিতে গেলে তারা বলে প্রতিষ্ঠান দেখাতে। কিন্তু আমরাতো অনলাইনে ব্যবসা করি প্রতিষ্ঠান পাবো কোথায়। এমন অনকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

ফারিহা ইসলাম সুমাইয়া: অনেকে ক্ষেত্রে সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও অনলাইন ব্যবসার কারণে আমাদেরকে লোন দেয়া হয় না। এমন একটি ঘটনা সম্প্রতি আমার সাথেই ঘটেছে। ব্যাংকের সব সর্ত পূরণ করার পরও আমি অনলাইন ব্যবসায়ী হওয়ায় আমাকে লোন দেয় নি।

তাসলিমা আক্তার টয়া: অনলাইন ব্যবসায়ীদের জন্য সহজভাবে লোনের ব্যবস্থা করলে উদ্যোক্তারা এগিয়ে যেতে পারবে। তাহলেই তারা অনলাইন থেকে দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে পারবে। তারা যদি কোনো সহযোগিতা না পায় তাহলে কিভাবে বড় হবে।

নবযাত্রা: অনলাইন ব্যবসায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ফিছিয়ে। এর প্রসারে কি করা যেতে পারে?

সাগর দে: এরমধ্যে ই-কর্মাসকে উন্নয়ন করার জন্য সরকারের বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের অনেকগুলো প্রোজেক্ট আছে। ইতোমধ্যে সরকার ১২ হাজার উদ্যোক্তাদের ট্রেনিং দিয়েছে। প্রতিটি জেলায় এ ট্রেনিংগুলো দেয়া হচ্ছে। আমি নিজেও বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের আন্ডারে পুরো বাংলাদেশের ই-কর্মাস প্লাটফর্মে ট্রেনাফ করি। আগামীতে এগুলো আরো বাড়বে। অনলাইন ব্যবসায় আরো এগিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের সরকার প্রযুক্তি নির্ভর বিভিন্ন জিনিস দিচ্ছে। সামনে এটি আরো ভালো অবস্থানে যাবে।

সানজিদা আফরোজ: অনলাইন ব্যবয়ীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার অনেকগুলো ট্রেনিং দিচ্ছে। যাতে অনলাইন ব্যবসায় তরুণ উদ্যোক্তারা এগিয়ে যেতে পারে। এর ফল কিন্তু দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটি ফেসবুক ইউজার আছে। এরমধ্যে চার লাখ ফেসবুক পেজ ও ব্যবসায়ীক গ্রæপ আছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগ ফেসবুব পেজ ও গ্রæপে ব্যবসা করছে উদ্যোক্তারা। কিছু হয়তো ব্যবসায়ীক কাজে ব্যবহার হচ্ছে না।

ফারিহা ইসলাম সুমাইয়া: অনলাইন ব্যবসায় বাংলাদেশ আগের চেয়ে অনেকটা এগিয়েছে। যদিও বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশের সাথে তাল মিলাতে এখনো অনেক সময় লাগবে। এ অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যারা তরুণ উদ্যোক্তা আছি তাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনিয় যেসব কাগজ পত্র ও লোনের দরকার হয় এসব ক্ষেত্রে সরকার যদি সহজ কিছু নিয়ম চালু করে তবে আমরা তথা বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে।

নবযাত্রা: পণ্য ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে কি কি সমস্যায় পড়তে হয়?

সাগর দে: অনলাইন ব্যবসার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে পণ্য ডেলিভারি সিস্টেম। এখন মানুষ ঘরে বসে পণ্য কেনাকাটা করে সময় এবং শ্রম বাঁচানোর জন্য। এক্ষেত্রে অনলাইন ব্যবসার পাশাপাশি আরেকটা ভালো দিক হচ্ছে আরো কিছু মানুষের কাজের ব্যবস্থা হয়েছে। অনেকে এটিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে। আগে এটিকে মানুষ লজ্জা পেতো। কিন্তু আমি দীর্ঘদিনের অনলাইনে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে এখন বলতে পারি এখন অনেকে এটিকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন ভালোবেসে। তবে ডেলিভারির ক্ষেত্রে আমাদের কিছু সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দেখা গেছে আমরা কেশ অন ডেলিভারিতে পণ্য পাঠাই দেখা গেছে যারা পণ্য কিনেছেন তারা নিতে চায় না। আবার এখন কিছু ডেলিভারি কোম্পানি খুলছে। তাদরে কোনো লাইসেন্স নেই। এ ক্ষেত্রে আমরা যারা ক্রেতার কাছে পণ্য পাঠাই তারা নিরাপতা হীনতায় ভুগি। এ ডেলিভারি গ্রæপগুলোকে যদি লাইসেন্সের আওতায় আনা যায় তবে আমরা পণ্য ডেলিভারির ক্ষেত্রে নিশ্চিত হতে পারবো।

নবযাত্রা: অনলাইন ব্যবসাকে সমাজ এখন কি ভাবে দেখে?

সাগর দে: যারা অনলাইন ব্যবসার সাথে জড়িত তারা এখনো পরিচয়হীনতায় ভুগে। কারণ আমাদের দেশে এখনো অনলাইন ব্যবসাকে মূলধারার কাজ হিসেবে নিতে পারেনি সমাজ। যার ফলে অনেকে নিরৎসাহ হয়ে পড়ে। মাঝপথে হারিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমানে উদ্যোক্তা হয়ে উঠার বড় প্লাটফর্ম হচ্ছে এ অনলাইন ব্যবসা। কারণ এ প্লাটফর্মে অল্প টাকায় উদ্যোক্তা হয়ে ধীরে ধীরে বড় হওয়া খুব সহজ। অথচ এ ভালো একটি মাধ্যমে ব্যবসার পরও সমাজে এটিকে সম্মানের সাথে দেখা হচ্ছে না। সবাই ভাবে পড়ালেখা শেষ করে অনলাইনে ব্যবসা এটা আবার কাজ নাকি।

তাসলিমা আক্তার টয়া: পড়াশোনা শেষ করে এ ব্যবসা করছে আগে পরিবারই সমর্থন করে না। তারা নানা কথা বলে। তাই আমাদের লড়াইটা একটু বেশি কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু দেখা যায় একসময় আমরা ঠিকই ভালো কিছু করছি। তখন কিন্তু তারাও বাহ বাহ দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *