বিটরুট মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে

নবযাত্রা প্রতিবেদক

নানান রোগের উপশম বিটরুট। বিটরুট যদিও বাংলাদেশি সবজি নয় তবু বাংলাদেশের বাজারে সবজির দোকানে সারা বছরই পাওয়া যায় বিটরুট। প্রাচীন সময় থেকেই বিটের বিশেষ কদর রয়েছে। প্রাচীন গ্রিক ও রোমানরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে নিস্তার পেতে নিয়ম করে বিট খেতেন। বিটরুট রক্ত স্বল্পতা ও আয়রনের ঘাটতি মেটায়। এতে রয়েছে অতিমাত্রায় নাইট্রেটস। যা মুখে থাকা ব্যক্টেরিয়ার সংস্পর্শে এসে এই নাইট্রেট মস্তিষ্কের রক্ত স ালন বাড়িয়ে তোলে। শরীরের ঋতুচক্রের যেকোনো সমস্যা হলে বিটরুটের এ গøাস জুস খেলে স্বস্থি পাওয়া যায়। বিটে থাকা আয়রণ নতুন লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহায্য করে। বিটে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিক্যাল ক্ষতিকারক দিক থেকে মানব শরীরকে বাঁচায়। ফলে এই সবজি নিয়মিত খেলে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার যায়। বিটের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-টিউমার গুণ।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে ক্ষতিগ্রস্ত কোষের হাত থেকে সুস্থ কোষগুলোকে বাঁচায় বিটরুট। ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে এ ফল। বিট খাওয়ার ফলে ব্রেনে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। যারা নিয়মিত বিট খেয়েছে তাদের চিন্তা ভাবনা করার ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় অনেকটাই বেশি। যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাদের উচিত বেশি করে বিটের জুস খাওয়া। বিপাকের সমস্যা দূর করে হজমশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে বিটরুট। বিটে ট্রিপ্টোফান ও বিটেইন নামে যে উপাদান থাকে, তা ডিপ্রেশন কাটাতে ভালো কাজ করে।

বিটরুটের ফেসপ্যাক: বিটরুট ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ও ভিটামিন সি। তাই প্যাক হিসেবে ত্বকে ব্যবহার করতে পারে বিটরুট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *