নবযাত্রা প্রতিবেদক
দেশে কোনো শিশুই যেন অভিভাবকহীন না থাকে। একটি দেশ কখনো কোনো জাতীকে পেছনে রেখে এগিয়ে যেতে পারে না। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মধ্যে অনেক প্রতিভা লুকিয়ে থাকে। সুযোগ পেলে এ শিশুরাই একদিন দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। তাই তাদেরকে সুযোগ তৈরি করে দেয়া দরকার।
গত সোমবার নগরীর রউফাবাদ সমাজসেবা কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুস সালাম এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার প্রতিবন্ধী বান্ধব। একসময় এ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষরা সমাজে অবহেলিত ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার এ প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক বরাদ্ধ বাড়িয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা ও মাতৃত্বকালীনসহ সমাজের সুবিধা বি তদের জন্য অনেকগুলো ভাতার বরাদ্ধ ও সুযোগ-সুবিধা চালু করেছেন। এখন তারাও এগিয়ে যাচ্ছে। এভাবেই দেশ একদিন এগিয়ে যাবে।
এসময়, রউফাবাদ সমাজসেবা কমপ্লেক্সটি ভেতরে হওয়ায় অনেকেই এটি সম্পর্কে জানেনা। যাতে প্রতিষ্ঠানটি সহজেই সবার চোখে পড়ে সে জন্য তিনি রউফাবাদ মেইন সড়কের পাশে প্রতিষ্ঠানের নামে একটি গেট তৈরি করে দেয়ার কথা বলেন।
বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক নুসরাত সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোস্তফা মোস্তাকুর রহিম খান, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ওয়াহিদুল আলম, কক্সবাজার সমাজসেবা অফিসের উপপরিচালক ফরিদুল আলম, রাঙামাটির মো. ওমর ফারুক, বান্দরবান মিল্টন মুহুরী, লক্ষীপুর নুরুল ইসলাম পাটোয়ারীসহ ১১ জেলার উপপরিচালকগণ।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবার কার্যালয়ের অধীন ১১ জেলার ১৮টি প্রতিষ্ঠান, সরকারি শিশু পরিবার, পিএইচটি সেন্টার, সম্মিলিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও ছোটমনি নিবাসের ৬৩৩ জন নিবাসী আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেন। আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ক্রিকেটে (বালিকা) চ্যাম্পিয়ন হয় সরকারি শিশু পরিবার কুমিল্লা জেলা। রানারআপ হয় সরকারি শিশু পরিবার কক্সবাজার জেলা। একই বিভাগে (বালক) চ্যাম্পিয়ন হয় সরকারি শিশু পরিবার পটিয়া জেলা এবং রানারআপ হয় সরকারি শিশু পরিবার লক্ষীপুর জেলা। এছাড়া বিভিন্ন ইভেন্টে ব্যক্তিগত চ্যাম্পিয়ন হয় ১৬ জন প্রতিযোগী।