নবযাত্রা ডেস্ক
আজ ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস। দেশের শিল্প, কৃষি ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিবছর এ দিবসটি পালিত হয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় উৎপাদনশীলতা সংস্থার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য— ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বাণীতে বলেছেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও অপচয় কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। টেকসই উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে শিল্প ও সেবা খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের সংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতি, উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
দিবসটি উপলক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ (২ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর-১ চিড়িয়াখানা রোডের বিসিআইসি কলেজ প্রাঙ্গণে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। একই স্থানে জাতীয় উৎপাদনশীলতা উদ্ভাবন মেলার উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান।