নবযাত্রা ডেস্ক
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রকে পুনর্গঠন ও মেরামত করতে হলে সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে হবে। মুসলমান, হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—সবাই হাজার বছর ধরে এ দেশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখতে হবে। দেশের মানুষ ভালো একটি পরিবর্তন চায়। একটি নিরাপদ
রাষ্ট্র চায়। যেখানে সবাই নিরাপদে বসবাস, ব্যবসা-বাণিজ্য ও চলাচল করতে পারবে।
শুক্রবার ভোর ৪টায় নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের পাঁচরুখী বেগম আনোয়ারা ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরে জনগণ ভোট দেয়ার সুযোগ পায়নি। আন্দোলন-সংগ্রাম ও শহীদদের ত্যাগের মাধ্যমে ফিরে পাওয়া ভোটাধিকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। ভোটের আগে একটি বাহিনী, একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করছে। নিরীহ মা-বোনদের কাছ থেকে এনআইডি ও মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছে। প্রবাসীদের ব্যালট দখল করে নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের সঙ্গে গত ১৫ বছরের নিশিরাতের নির্বাচন ও ভোট ডাকাতির নির্বাচনের কোনো পার্থক্য আছে? তাদের সঙ্গে ওদের কোনো পার্থক্য নেই। দুজন একই গ্রুপের। একজন ষড়যন্ত্র করে ভোট নিতে চায় এবং আরেকজন ডাকাতি করে ভোট নিয়ে গেছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। মা-বোনদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা, এটার ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।’
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন। তারেক রহমানের আগে বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ও বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি-সমর্থিত জোটের প্রার্থী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসেন কাসেমী, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ এবং যুবদলের সভাপতি মেহেদী আমান মুন্না।