ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের উদ্যোগে ১৬১ তম ‘রবীন্দ্র জয়ন্তী’ উদর্যাপন

নবযাত্রা প্রতিবেদক

মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না/ কেন মেঘ আসে হৃদয়-আকাশে, তোমারে দেখিতে দেয় না। সঙ্গীত শিল্পী লাকী দাশের গানের সুরে বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনিস্টিটিউটে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গানের আসর বসেছে। শিল্পী লাকী দাশের সুরে তিনটি একক রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাহিরে বৃষ্টির মধ্যেও ‘রবীন্দ্র জয়ন্তীতে’ অংশ নিতে আসেন দেশী বিদেশী দর্শকরা। গানের পর্ব শেষ হলেই ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর।’ গানের সুরে নৃত্য পরিবেশন করেন পাপন একাডেমির শিল্পীরা। একে একে তিনটি নৃত্য পরিবেশন করেন এ শিল্পীরা।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় থিয়েটার ইনিস্টিটিউটে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের উদ্যোগে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শিরীন আক্তার, বিএসআরএম’এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীর আলী হোসেন, চট্টগ্রাম ক্লাবের চেয়ারম্যান নাদের খান ও ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের স্ত্রী সুসমিতা রঞ্জন।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ডা. রাজীব রঞ্জন। এসময় মঙ্গল প্রদীপ জ্বেলে ও রবীন্দ্রনাথের ছবিতে পুষ্প দান করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মেয়রসহ অতিথিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বহুগুণে গুণান্বিত। তিনি সাহিত্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচরণ করেছেন। বাঙালির মধ্যে তিনিই প্রথম নোবেল বিজয়ী। তার মাধ্যমে বিশ্ব চিনেছেন বাঙালিদের। রবীন্দ্রনাথ কোনো একটা ভূখণ্ডের নয়, তিনি সব জাতির। তিনি তার কর্মের মাধ্যমে যুগের পর যুগ বেঁচে থাকবেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানের শেষে মে আবৃত্তি পরিবেশন করেন প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের আবৃত্তি শিল্পী রাশেদ হাসান ও তাদের সদস্যরা। এছাড়া ম মুকুট নাট্য সম্প্রদায় রবীন্দ্রনাথের মৃনালের কথা নাটকের একটি অংশ পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাশেদ হাসান ও প্রিয়তমা দে মনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *