নবযাত্রা প্রতিবেদক
ভোজ্য তেলের পর এবার বাজারে বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। পেঁয়াজ এবং রসুন কেজি প্রতি ১০-২০ টাকা দাম বেড়েছে।
কারণ জানতে চাইলে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে দেশীয় নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ শুরু হওয়ায় রমজান মাসে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করে। সেসময় পেঁয়াজ আমদানি কম হয়। তবে ঈদের পর পর চাহিদা বাড়ে এবং ঈদের ছুটির কারণে বন্দর বন্ধ হয়ে যায়। বন্দরে আটকা পড়ে পেঁয়াজ ও রসুন। তাই বাজারে সংকট তৈরি হয় দাম বাড়ে পেঁয়াজ রসুনের। আবার কয়েক দিন ধরে ঘূর্ণিঝড়টির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিতে পেঁয়াজ ও রসুনসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এটিকেও দাম বাড়ার কারণ বলে দায়ী করছে ব্যবসায়ী।
গতকাল চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে আমদানীকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩২-৩৩ টাকায়। যা কয়েক দিন আগে বিক্রি হয়েছিল ২৫-২৮ টাকায়। আবার আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। যা চার-পাঁচদিন আগে বিক্রি হয়েছিল ৯৮-১০০ টাকায়।
এদিকে নগরীর কর্ণফুলি কাঁচাবাজারে খুচরা প্রতি কেজি পেঁয়াজ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকায়। যা সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছিল ৩০-৩৫ টাকায়। রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। যা তিনদিন আগে বিক্রি হয়েছিল ১১০-১১৫ টাকায়। দেশী রসুন বিক্রি হয়েছিল ৪০-৪৫ টাকার মধ্যে। যা এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়।
চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে ব্যবসায়ী মো. মহিউদ্দিন বলেন, রমজানের শেষ সময় বাজারে দেশী পেঁয়াজ পর্যাপ্ত থাকায় আমদানি কম হয়। আবার ঈদের সময় বন্দর বন্ধ ছিল এতে বাজারে পেঁয়াজ, রসুনের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যায়। এসব কারণে দাম বেড়েছে। তবে সরবরাহ বাড়লে এবং বন্দরে আটকে থাকা পণ্য খালাস হলেই আবার দাম কমে যেতে পারে।