নবযাত্রা প্রতিবেদক
স্বাস্থ্যের জন্য তিতাকরলা অত্যন্ত উপকারী একটি সবজি। পুষ্টিবিদদের মতে, করলার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অনেক। উচ্চ রক্তচাপ ও চর্বি কমিয়ে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে এটি। এর তেতো রস কৃমিনাশক। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। এ ছাড়া এটি ভাইরাসনাশকও। রক্তশূন্যতায় ভুগছে এমন রোগীর উত্তম পথ্য করলা। এটি হিমোগ্লাবিন তৈরি করে শরীরে রক্তের উপাদান বাড়ায়। করলার ভিটামিন সি ত্বক ও চুল ভালো রাখে এবং ম্যালেরিয়া জ্বরে স্বস্তি দেয়। মাথাব্যথারও উপশম করে। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় এবং রক্ত পরিষ্কার করে।
করলায় প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট ও রক্তে চিনি কমানোর উপাদান রয়েছে। ডায়াবেটিসের রোগীর রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে করলা। এর এন্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের দূষণ দূর করে। হজমপ্রক্রিয়ায় গতি বাড়ায়। পানির সঙ্গে মধু ও করলার রস মিশিয়ে খেলে এজমা, ব্রংকাইটিস ও গলার প্রদাহে উপকার পাওয়া যায়। করলার রস শক্তিবর্ধক হিসেবেও কাজ করে। এটি স্ট্যামিনা বাড়ানোর পাশাপাশি ভালো ঘুমে সহায়তা করে। হার্ট এটাক রোধ করে। করলা রক্তের চর্বি তথা ট্রাইগ্রিসারাইড বা টিজি কমায় আর বাড়ায় ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএল। এতে নিয়ন্ত্রণ করে রক্তচাপ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন করলা গ্রহণে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় এবং প্রতিরোধ হয় রক্তনালিতে চর্বি জমা এবং হার্ট এটাকের প্রবণতা কমায়। করলার বড় গুণ হচ্ছে এটি হজমের জন্য উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পরিপাকতন্ত্রের জটিলতা দূর করতে করলা। এছাড়া করলা শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। কোনো ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে লড়তে সাহায্য করে। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত করলা রাখা ভালো।