নবযাত্রা প্রতিবেদক
বেশ জনপ্রিয় খাবার গুড়। শীতকালে গুড়ের সাথে নানারকম পিঠাপুলি খাবার মজাই আলাদা। গুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা। গুড় মানবশরীর সুস্থ রাখে ও রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। গুড়ের রয়েছে নানাবিদ উপকারিতা।শীত মৌসুমে অনেকেরই ঠাণ্ডা লেগে থাকে। গুড় শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। নিয়ম করে গুড় খেলে সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হবে। নিয়মিত গুড় খেলে কমতে পারে মাইগ্রেনের সমস্যা। শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তাল্পতা দূর করে। আমাদের দেশে তিন ধরনের গুড় পাওয়া যায়। বিশেষ করে আখ, খেজুর ও তালের গুড়।
আখের গুড়

আখের গুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি ও শর্করা রয়েছে। ডায়রিয়ার রোগীকে আখের গুড়ের স্যালাইন খাওয়ানো হয়। কারণ এতে থাকা শর্করা শরীরের পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ক্যালরি বেশি থাকার কারণে আখের গুড় দ্রæত ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। ক্ষতিকর অনুজীব বৃদ্ধি হ্রাস করতে সাহায্য করে এটি। এতে থাকা খনিজ উপাদানগুলো রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণ দূরে রাখে। গলার সমস্যা দুর করে।
তালের গুড়

তালের গুড় খেলে শরীর থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ বের করে লিভারকে পরিষ্কার করে এবং কফের উপসর্গের তীব্রতা কমায়। তালের রসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি কমপেক্স রয়েছে। ভিটামিন বি-এর অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধে তাল ভূমিকা রাখে। তালের রসে কৃমির সমস্যা দুর করে। তাল এন্টি-অক্সিডেন্ট গুণসমৃদ্ধ হওয়ায় ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম।
খেজুরের গুড়

পচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে এ গুড়ে। এটি রক্তস্বল্পতা দুর করে। হাড় ও বাঁতের ব্যথা কমায়। চুল ও ত্বকের উজ্জ্বল বাড়াতে সাহায্য করে এ গুড়। খেজুরের গুড়ে থাকে নানা ধরনের খনিজ পদার্থ। সঙ্গে প্রোটিন আর ভিটামিনও থাকে। ফলে এই গুড় নিয়ম করে খেলে শীতকালে কাজের শক্তি বাড়ে। হজমের সমস্যা দূর হয়। কমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও।