সবজিতে স্বস্তির আভাস, ডিম-মুরগি ও মাছে চড়া দামেই আটকে বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও পুরো বাজারব্যবস্থায় এখনো স্থিতি ফেরেনি। সাম্প্রতিক সময়ে শাকসবজির দাম কমে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে এলেও ডিম, মুরগি ও মাছের বাজারে অস্থিরতা কাটেনি। ফলে দৈনন্দিন বাজার খরচে চাপ কমছে না নগরবাসীর।

শুক্রবার নগরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, মৌসুমি সবজির সরবরাহ বাড়ায় অধিকাংশ সবজির দাম তুলনামূলক সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। টমেটো, আলু, লাউ, ঢেঁড়স, শিমসহ বেশ কিছু সবজি আগের চেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। শাকজাতীয় পণ্যও তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে।

তবে প্রাণিজ প্রোটিনের বাজারে সেই স্বস্তি নেই। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। একইভাবে ডিমের বাজারেও দামের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

মাছের বাজারেও চিত্র প্রায় একই। নদী ও চাষের মাছের দাম মাঝারি থেকে বেশি পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষ করে বড় আকারের মাছ ও চিংড়ির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে বলে জানিয়েছেন অনেক ক্রেতা।

চকবাজার এলাকায় বাজার করতে আসা এক ক্রেতা জানান, “সবজির দাম কিছুটা কমেছে ঠিকই, কিন্তু মাছ-মাংস আর ডিমের দামে কোনো পরিবর্তন নেই। সংসারের খরচ সামলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।”

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দামের চাপ কমেনি বলেই খুচরা পর্যায়ে মূল্য কমানো সম্ভব হচ্ছে না। তাদের মতে, সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি হলে ভোক্তারা কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। বর্তমানে আংশিক স্বস্তির এই চিত্র পুরো বাজারে ছড়িয়ে দিতে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *